এইচএসসি পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র সাজেশন ২০২৩ | HSC Civic & Good Governance 1st Paper Suggestions (১০০% কমন বোর্ডপ্রশ্ন)

এইচএসসি পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র সাজেশন ২০২৩ | HSC Civic & Good Governance 2nd Paper Suggestions (১০০% কমন বোর্ডপ্রশ্ন)


এইচএসসি পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র সাজেশন ২০২৩ | HSC Civic & Good Governance 1st Paper Suggestions (১০০% কমন বোর্ডপ্রশ্ন)


আসসালামুয়ালাইকুম সুপ্রিয় শিক্ষার্থীরা আশাকরি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালো আছ। আজকে আমি তোমাদের সাথে শেয়ার করবো এইচএসসি পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র সাজেশন ২০২৩ । আশাকরি তোমাদের সবার অনেক উপকারে আসবে।


Table of Contents



এইচ এস সি পরীক্ষা- ২০২৩ 

শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি


পৌরনীতি ও সুশাসন- (২য় পত্র)


'ক' ও 'খ' নম্বরের জন্য 


গুরুত্বপূর্ণ সাজেশন (উত্তরসহ) 


পরীক্ষায় আসবেই



পৌরনীতি ও সুশাসন-২য় পত্র

এর যে অধ্যায়গুলো পরীক্ষায় আছে দেখে নাও ।



অধ্যায়: ১ ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ
অধ্যায়: ২ পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ (১৯৪৭-১৯৭১)
অধ্যায়: ৩ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব: বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভ
অধ্যায়: ৪ বাংলাদেশের সংবিধান
অধ্যায়: ৭ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান
অধ্যায়: ১০ নাগরিক সমস্যা ও আমাদের করণীয় ওই



 ক' নম্বরের জন্য


জ্ঞানমূলক প্রশ্ন


১ম অধ্যায়: ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ


১। লাহোর প্রস্তাব কে পেশ করেন?


উত্তর: শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক । 


২। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা কে?


উত্তর: অ্যালান অক্টোভিয়ান হিউম । 


৩। প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন কাকে বলে?


উত্তর: কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণমুক্ত থেকে প্রাদেশিক বিষয়গুলোর ওপর প্রাদেশিক সরকারের পূর্ণ কর্তৃত্বকে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন বলে।


৪। দ্বি-জাতি তত্ত্ব কী?


উত্তর: দ্বি-জাতি তত্ত্ব হলো মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রদত্ত হিন্দু-মুসলিম আলাদা জাতি-এ সংক্রান্ত তত্ত্ব।


৫। লাহোর প্রস্তাব কী?


উত্তর: ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলমানদের জন্য একটি স্বতন্ত্র রাষ্ট্রের দাবি জানিয়ে উত্থাপিত প্রস্তাবই হচ্ছে লাহোর প্রস্তাব। 


৬। লাহোর প্রস্তাবের মূল বক্তব্য কী ছিল?


উত্তর: ভারতের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলগুলোতে একাধিক স্বাধীন মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।


৭। কোন প্রস্তাবের ভিত্তিতে পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়?


উত্তর: দ্বি-জাতি তত্ত্বের আলোকে লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়।


৮। ভারত স্বাধীনতা আইন প্রণীত হয় কত সালে?


উত্তর: ১৯৪৭ সালে।


৯। দ্বি-জাতি তত্ত্বের প্রবর্তক কে?


উত্তর: মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।


১০। কোন আইনের মাধ্যমে ভারতবর্ষে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়?


উত্তর: ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের মাধ্যমে ভারতবর্ষে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।


১১। ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?


উত্তর: লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন।


১২। ভারত স্বাধীনতা আইন কী?


উত্তর: লর্ড মাউন্ট ব্যাটেনের ৩ জুন, ১৯৪৭ সালের পরিকল্পনাকে বাস্তবে রূপ দেয়ার জন্য ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ১৮ জুলাই ১৯৪৭-এ যে আইন পাস করে তাই ভারত স্বাধীনতা আইন' ।


১৩। পলাশীর যুদ্ধ কখন সংঘটিত হয়?


উত্তর: ১৭৫৭ সালে।


১৪। ভারতের জাতীয় কংগ্রেস কত সালে গঠিত হয়?


উত্তর: ১৮৮৫ সালে।


১৫। বঙ্গভঙ্গ কী?

উত্তর: ১৯০৫ সালে বাংলা প্রেসিডেন্সকে প্রশাসনিক সুবিধার জন্য লর্ড কার্জনের দুই ভাগে ভাগ ROB করার ঘটনা ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।


১৬। কত সালে বঙ্গভঙ্গ হয়? 

উত্তর: ১৯০৫ সালে।


১৭। কত সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হয়?


উত্তর: ১৯১১ সালে।


২য় অধ্যায়: পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ (১৯৪৭-১৯৭১)।


১। তমদ্দুন মজলিসের প্রতিষ্ঠাতা কে?


উত্তর: তমদ্দুন মজলিসের প্রতিষ্ঠাতা হলেন অধ্যাপক আবুল কাশেম


২। মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?


উত্তর: তাজউদ্দীন আহমদ।


৩। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট কতটি আসনে জয়লাভ করে? উত্তর: ২২৩ টি।


৪। কত সালে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়া হয়?


উত্তর: ১৯৫৬ সালে।


৫। ১৯৫৮ সালে কে পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি করেন? 


উত্তর: তদানীন্তন প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা।


৬। গণ-অভ্যুত্থান কী?


উত্তর: ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান হলো পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকচক্রের কুশাসনের বিরুদ্ধে সে বছর পূর্ব-পাকিস্তানে পরিচালিত তীব্র গণ-আন্দোলন। 


৭। জাতিসংঘের কোন অঙ্গ সংগঠন একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা দেয়?


উত্তর: ইউনেস্কো (UNESCO) |


৮। ছয় দফা দাবি কত সালে উত্থাপন করা হয়?


উত্তর: ১৯৬৬ সালে।


৯। ভাষা আন্দোলন কী?


উত্তর: বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে পূর্ব পাকিস্তানে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল তাই ভাষা আন্দোলন নামে পরিচিত।


১০। ছয় দফা কী?


উত্তর: ছয় দফা হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ঘোষিত বাঙালির অধিকার আদায়ের ৬টি গুরুত্বপূর্ণ দাবি সংবলিত কর্মসূচি।


১১। ছয় দফা কর্মসূচি কে উত্থাপন করেন?


উত্তর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।


১২। যুক্তফ্রন্ট কী?


উত্তর: ১৯৫৪ সালে প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলিম লীগকে প্রতিহত করার জন্য ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর পূর্ব বাংলার বিরোধী চারটি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত দলই হলো যুক্তফ্রন্ট। 


১৩। কখন যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়?


উত্তর: ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর।


১৪। যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনি প্রতীক কী ছিল?


উত্তর: নৌকা।


১৫। বাঙালির ম্যাগনাকার্টা বলা হয় কোনটিকে?


উত্তর: ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবিকে।


১৬। ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?


উত্তর: খাজা নাজিমউদ্দিন।


১৭। পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?


উত্তর: ১৯৭০ সালে।


১৮। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কয়টি আসনে জয়লাভ করে?


উত্তর: ১৬৭টি আসনে।


১৯। ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা কী?


উত্তর: পাকিস্তান সরকার ১৯৬৮ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ মোট ৩৫ জন বাঙালি সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা দায়ের করে তাই ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা।


২০। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে প্রাদেশিক আইন পরিষদের মোট আসন কতটি ছিল?


উত্তর: ৩০৯টি।


২১। পাকিস্তানের সংবিধান কখন রচিত হয়?


উত্তর: ১৯৫৬ সালে।


২২। আগরতলার মামলার আসামি কতজন ছিল?


উত্তর: ৩৫ জন।


২৩ অপারেশন সার্চলাইট কী?


উত্তর: ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কর্তৃক বাঙালিদের উপর পরিচালিত একট বর্বর অভিযানের নাম অপারেশন সার্চলাইট।


২৪। মুজিবনগর সরকার কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? 


উত্তর: ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল।


৩য় অধ্যায়: রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব: বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভ


১। মজলুম জননেতা কাকে বলা হয়? 


উত্তর: মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীকে ।


২। ফরায়েজি আন্দোলন কী?


উত্তর: ফরায়েজি আন্দোলন হলো হাজী শরীয়তউল্লাহ কর্তৃক পরিচালিত ফরজভিত্তিক ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলন।


৩। ফরায়েজি আন্দোলনের নেতা কে?


উত্তর: হাজী শরীয়তুল্লাহ।


৪। শেখ মুজিবুর রহমান কখন স্বাধীনতা ঘোষণা করেন? 

উত্তর: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ।


৫ প্রথমবার পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি করা হয় কখন ? 

উত্তর: ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর।


৬। তিতুমীরের পূর্ণ নাম কী?


উত্তর: মীর নিসার আলী।


৭। দেশবন্ধু উপাধি দেওয়া হয় কাকে?


উত্তর: চিত্তরঞ্জন দাশকে।


৮। আগরতলা মামলায় কতজনকে আসামি করা হয়?


উত্তর: ৩৫ জনকে।


৯। বাঁশের কেল্লা কী?


উত্তর: তিতুমীর ১৮৩১ সালে পশ্চিমবঙ্গের নারিকেলবাড়িয়া নামক স্থানে এক দূর্গ স্থাপন করেন যা বাঁশের কেল্লা নামে পরিচিত।


১০। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?


উত্তর: ১৯২১ সালে।


১১। 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' কার লেখা?


উত্তর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা।


১২। নবাব স্যার সলিমুল্লাহর জন্ম কোথায়?


উত্তর: ১৮৭১ সালে ঢাকার সম্ভ্রান্ত নবাব পরিবারে।


১৩। অসহযোগ আন্দোলনের ডাক কে দিয়েছিলেন? 

উত্তর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।


১৪। বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইন প্রণয়ন করেন কে? 

উত্তর: শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক। 


১৫। শেখ মুজিবুর রহমান কত সালে জন্মগ্রহণ করেন? 

উত্তর: ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ।


১৬। শেখ মুজিবুর রহমান কখন দেশে ফিরে আসেন? 

উত্তর: ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি।


১৭। শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?


উত্তর: ১৮৭৩ সালে।


১৮। কত সালে বেঙ্গল প্যাক্ট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?


উত্তর: ১৯২৩ সালে।


১৯ । গণতন্ত্রের মানসপুত্র বলা হয় কাকে? উত্তর: হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে।


২০। অবিভক্ত বাংলার সর্বশেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?


উত্তর: হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।


৪র্থ অধ্যায়: বাংলাদেশের সংবিধান।


১। গণভোট কী?


উত্তর: গণভোট বলতে কোনো বিষয়ে জনমত যাচাইকে বোঝানো হয়।


২। বাংলাদেশের সংবিধান কত তারিখ থেকে কার্যকর হয়? 

উত্তর: ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রথম বিজয় দিবস থেকে।


৩। বাংলাদেশের আইনসভার নাম কী?


উত্তর: জাতীয় সংসদ।


৪। সংবিধানের অনুচ্ছেদ কয়টি?


উত্তর: ১৫৩ টি।


৫। মৌলিক অধিকার কী?


উত্তর: মৌলিক অধিকার হলো রাষ্ট্র প্রদত্ত সেসব সুযোগ-সুবিধা, যা নাগরিকদের ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য অপরিহার্য। সমষ্টি।


৬। সংবিধান কী?


উত্তর: সংবিধান হলো রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য লিখিত বা অলিখিত বিধি-বিধানের


৭। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন কোনটি?


উত্তর: সংবিধান ।


৮। বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মূলনীতি কয়টি? 

উত্তর: ৪টি


৯। কে, কখন অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন?


উত্তর: শেখ মুজিবুর রহমান, ১৯৭২ সালের ১১ই জানুয়ারি


১০। 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' গঠিত হয় কবে? 

উত্তর: ১৯৭২ সালের ১১ই এপ্রিল।


১১। 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি কে ছিলেন? 

উত্তর: ড. কামাল হোসেন।


১২। 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি'র একমাত্র নারী সদস্য কে ছিলেন?


উত্তর: বেগম রাজিয়া বানু।


১৩। ১৯৭২ সালে প্রণীত সংবিধানের প্রকৃতি কীরূপ ছিল? 

উত্তর: ১৯৭২ সালে প্রণীত সংবিধান ছিল লিখিত এবং দুষ্পরিবর্তনীয়।


১৪। সংবিধানে বাংলাদেশকে কী ধরনের রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয়? 

উত্তর: প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র।


১৫। সংবিধান কত কক্ষবিশিষ্ট ?

উত্তর: এক কক্ষবিশিষ্ট ।


১৬। সংবিধানে বাংলাদেশে কোন পদ্ধতির সরকার প্রতিষ্ঠা করা হয়?

উত্তর: সংসদীয় গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।


১৭। বাংলাদেশের সংবিধান কত তারিখে গৃহীত হয়? 

উত্তর: ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর।


১০ম অধ্যায়: নাগরিক সমস্যা ও আমাদের করণীয়।


১। দুর্নীতি কোন ধরনের ব্যাধি? 

উত্তর: দুর্নীতি একটি মারাত্মক ব্যাধি ।


২। দুর্নীতি কী?


উত্তর: নীতি বা আইন বিরুদ্ধ কাজ করাই হলো দুর্নীতি।



৩। প্রতিবন্ধী কারা?


উত্তর: যারা দৈহিক, মানসিক ও বোধশক্তিজনিত অসুবিধায় সামাজিক ভূমিকা পালনে ব্যর্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন থেকে বঞ্চিত তারাই প্রতিবন্ধী।


৪। AIDS-এর পূর্ণরূপ কী?


উত্তর: Acquired Immune Defiency Syndrome.


৫। ইভটিজিং কাকে বলে?


উত্তর: পুরুষ কর্তৃক নারীকে উত্ত্যক্ত করা, শারীরিক বা মানসিকভাবে লাঞ্ছিত করা বা যৌন নিপীড়ন করাকে ইভটিজিং বলে।


৬। জলবায়ু পরিবর্তন কাকে বলে?


উত্তর: কোনো স্থানের বা অঞ্চলের ৩০-৪০ বছরের জলবায়ুর উপাদান যেমন-তাপমাত্রা, বায়ুর চাপ, বায়ুর আর্দ্রতা ও শুষ্কতার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনকে জলবায়ুর পরিবর্তন বলা হয়।


৭। গ্রিনহাউজ গ্যাস কী?


উত্তর: কার্বন ডাই অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড প্রভৃতি গ্যাসের সমন্বয়ে গঠিত গ্যাসই হলো গ্রিনহাউস গ্যাস।


৮। 'প্রতিবন্ধী' শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ কী? 


উত্তর: Disable.


৯। 'দুর্নীতি' শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ কী?


উত্তর: Corruption.


১০। ইভটিজিং শব্দটির বাংলা প্রতিশব্দ কী হতে পারে? 

উত্তর: যৌন হয়রানি।


১১। 'দুদক'-এর পূর্ণরূপ কী? 


উত্তর: দুর্নীতি দমন কমিশন।


১২। প্রতিবন্ধী কত প্রকার?


উত্তর: 'প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন ২০১৩' অনুযায়ী প্রতিবন্ধী মূলত ১০ প্রকার।


১৩। বাকপ্রতিবন্ধী কাকে বলে?


উত্তর: যে ব্যক্তি স্বাভাবিকভাবে কোনো বাক্য উচ্চারণ বা আংশিকভাবেও উচ্চারণ করতে পারে না তাকে বাক প্রতিবন্ধী বলে।


১৪। বৈশ্বিক উষ্ণায়ন কী?


উত্তর: বায়ুমন্ডলে গ্রিনহাউজ গ্যাসের আধিক্যের ফলে মহাশূন্যে তাপের বিকিরণ কমে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়াকে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বলে।


১৫। বিশ্বের কতভাগ জনগোষ্ঠী প্রতিবন্ধীতার সমস্যায় আক্রান্ত?


উত্তর: শতকরা প্রায় ১০ ভাগ।


১৬। C F C কী?


উত্তর: সি. এফ. সি. হলো-উষ্ণতা বৃদ্ধিকারক এক ধরনের গ্রিনহাউজ গ্যাস।


১৭। খাদ্যে ভেজাল কী?


উত্তর: খাদ্যের মানকে ইচ্ছাকৃতভাবে নিম্নমুখী করার জন্য নিম্ন মানের খাদ্য উপাদান ভালো খাদ্যের সাথে মেশানোকে বলা হয় খাদ্যে ভেজাল।


১৮। Eve শব্দের অর্থ কী?


উত্তর: Eve শব্দের অর্থ হাওয়া।


১৯। HIV-এর পূর্ণরূপ কী?


উত্তর: Human Immunodeficiency Virus.



'খ' নম্বরের জন্য-গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন


অনুধাবনমূলক প্রশ্ন


১ম অধ্যায়: ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ।


১। দ্বৈত শাসনব্যবস্থা বলতে কী বোঝ ?


উত্তর: দ্বৈত শাসনব্যবস্থা হল একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক পদ্ধতি, যেখানে সামাজিক ও আর্থিক সম্পদ বিভাজিত হয় দুই প্রধান শ্রেণীর মধ্যে। এই শাসনব্যবস্থায় সর্বোচ্চ ক্ষমতা রাজার হাতে থাকে এবং তিনি সমাজের উচ্চতম শ্রেণীর মধ্যে থাকেন। এই পদ্ধতিতে একটি শ্রেণী অন্যটির উপর শাসন করে এবং একটি শ্রেণী অন্যটির সম্পত্তি এবং সুবিধা থেকে অধিক উপভোগ করে।


২। লাহোর প্রস্তাব বলতে কী বোঝ?

উত্তর: লাহোর প্রস্তাব হল একটি পরিচিত ইতিহাস ঘটনা যা 1940 সালে ভারতীয় মুসলিম লীগের একটি সভার মাধ্যমে ঘোষিত হয়। এই প্রস্তাবে বাংলা ও পশ্চিম ভারতের মুসলিম এলাকা একটি আলাদা রাষ্ট্র গঠন করতে প্রস্তাবিত হয়। এই প্রস্তাব বর্তমান পাকিস্তানের উদ্ভবের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস ঘটনা হিসাবে পরিচিত।


৩। প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন বলতে কী বোঝায়? 

উত্তর: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন বলতে অর্থ হল একটি শাসন ব্যবস্থা যেখানে স্থানীয় সরকার এবং প্রশাসন সম্পাদন করে। এটি জাতীয় সরকারের উপর নির্ভর করে না, বরং স্থানীয় সমস্যার সমাধান ও উন্নয়ন কাজ সম্পাদনের জন্য নির্দিষ্ট ক্ষমতা এবং স্বায়ত্তশাসন প্রক্রিয়া ব্যবহার করে।

এই ব্যবস্থায় প্রাদেশিক সরকার এবং স্থানীয় নেতারা কর্তব্য পালন করে যা শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা, জনসংখ্যা উন্নয়ন, সম্পদ বিনিময় ও বাণিজ্যিক উন্নয়ন ইত্যাদি সম্পর্কিত কাজসমূহ থাকতে পারে। 


৪। লাহোর প্রস্তাবের মূলকথা কী ছিল?

উত্তর: লাহোর প্রস্তাব হল 1940 সালে মুসলিম লীগের একটি পর্ষদ দ্বারা পেশ করা একটি পরিকল্পনা যা বিভিন্ন সংস্থা ও জনতা পক্ষগুলি সমর্থন করে। এই পরিকল্পনার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ভারত থেকে পাকিস্তান নামক দেশের উত্থান এবং হিন্দু এবং মুসলমানদের পৃথকতার বিষয়টি সমাধান করা।

লাহোর প্রস্তাবে বলা হয়েছে যে হিন্দুমুসলিম দুটি পৃথক রাষ্ট্র তৈরি করা উচিত এবং এই দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে একটি স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়াও, এই পরিকল্পনায় দরকারী ছিল একটি ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান যা সকলের মধ্যে সমানতা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।


৫। দ্বিজাতি তত্ত্ব কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: দ্বিজাতি তত্ত্ব বলতে বুদ্ধিজীবী মানুষদের দুই প্রকৃতি বোঝায়। একটি হল ব্রাহ্মণ এবং অন্য একটি হল নন-ব্রাহ্মণ। দ্বিজাতি তত্ত্ব মূলত হিন্দু ধর্ম বিষয়ক হল কিন্তু এটি অন্যান্য ধর্ম ও সমাজেও বিদ্যমান।

এই তত্ত্বে ব্রাহ্মণ একটি উচ্চ স্তরের জাতি হিসাবে বিবেচিত হয়। ব্রাহ্মণরা হিন্দু ধর্মের বেদ ও উপনিষদ পড়ে তাদের ধর্মীয় জীবন ও আচরণ নির্ধারণ করে থাকেন। তাদের প্রধান কাজ হল ধর্মীয় পাঠশালা এবং ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করা। অন্যদিকে, নন-ব্রাহ্মণ বা শূদ্ররা হিন্দু ধর্মে তাদের বিশেষ কর্তব্য নেই এবং তাদের কাজ হল দাস কর্ম এবং সেবা।


৬। 'লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তি ছিল দ্বিজাতি তত্ত্ব-ব্যাখ্যা করো। 

উত্তর: লাহোর প্রস্তাব হল ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত একটি নতুন সমাজবাদী পদ্ধতি প্রবর্তন। এটি একটি স্বতন্ত্র এবং সমগ্র ভারতীয় রাজনীতির স্বরূপ গঠন করতে উদ্দেশ্য করে।

এই প্রস্তাবের ভিত্তি হল দ্বিজাতি তত্ত্ব বা ব্রাহ্মণ-ক্ষত্রিয় শাসনবিধি না মেনে একটি নতুন সমাজবাদী ও সমগ্র সমাজবাদী শাসন স্থাপন করা। এই পদ্ধতিতে সমস্ত মানুষের অধিকার সমানভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে এবং দ্বিজাতি বা ব্রাহ্মণ-ক্ষত্রিয় শাসনবিধির সম্পূর্ণ অবনতি ঘটানো হবে।


৭। ১৯৩৫ সালে প্রবর্তিত ভারতীয় প্রাদেশিক শাসন কীরূপ ছিল ?

উত্তর: ১৯৩৫ সালে প্রবর্তিত ভারতীয় প্রাদেশিক শাসন হল ব্রিটিশ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে শাসন করার জন্য স্থাপিত হওয়া একটি পদক্ষেপ। এই শাসন ব্যবস্থায় প্রতিটি রাজ্যকে একটি পরিচালকতামূলক পরিচালিত সরকার দেওয়া হয়। এই পরিচালকতামূলক সরকার রাজ্যকে স্বশাসন করতে দেয় না।


৮। বঙ্গভঙ্গ বলতে কী বোঝায়?


উত্তর: বঙ্গভঙ্গ হল ১৯০৫ সালের অক্টোবর মাসে পশ্চিমবঙ্গে জনগণের প্রতিবাদ প্রদর্শন যা উদ্বেগ কারক ঘটনা ছিল। এই ঘটনার কারণ ছিল বিশেষ করে পৃথক রাষ্ট্র মঙ্গল পাণ্ডের নেতৃত্বে স্থাপিত করার কথা পশ্চিমবঙ্গের ভারতীয় জনগণের মধ্যে বিস্ময় এবং বিদ্রূপতা উত্পন্ন করেছিল। এছাড়াও, একটি অভিযান চালিত হয় জোটের উন্নয়নের জন্য জনগণের একটি গোষ্ঠীও তাদের সাথে যুক্ত হয়।


৯। ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইনের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো ।


উত্তর: ১৯৪৭ সালের ১৫ই অগাস্ট ভারত স্বাধীন হয়েছিল এবং এই ঘটনাটি ভারতীয় ইতিহাসে একটি ঐতিহ্যিক ঘটনা হিসাবে গণ্য। ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের ফলে ব্রিটিশ রাজনৈতিক শাসন শেষ হয়ে গেল এবং একটি স্বাধীন দেশ উদ্ভব হয়। ভারত স্বাধীনতা আইনটি একটি রাজনৈতিক দলের সুপারিশে তৈরি হয়েছিল এবং ইংরেজ শাসকদের পার্টি লগোতে এই আইনটি পারিত হয়নি।


২য় অধ্যায়: পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ (১৯৪৭-১৯৭১)


১। ভাষা আন্দোলন বলতে কী বোঝায়? /ভাষা আন্দোলন কেন হয়েছিল? 


উত্তর: ভাষা আন্দোলন বলতে মূলত ভাষার উন্নয়ন ও প্রচলন নিষ্পত্তি পেতে কর্মসূচির প্রতিবাদ বোঝায়। ১৯৪৮ সালে পূর্ব পাকিস্তানে বঙ্গা ভাষাকে রাজভাষা না হিসাবে গ্রহণ করা হয়। এর ফলে বাঙ্গালী জনগণের ভাষার উন্নয়ন ও প্রচলন নিষ্পত্তির কারণে ভাষা আন্দোলন হয়। এ আন্দোলনের ফলে ১৯৫২ সালে পূর্ব পাকিস্তানে বাংলা ভাষা রাজভাষা হিসাবে গ্রহণ করা হয়।


২। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বলতে কী বোঝায়?


উত্তর: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হল একটি উদযাপন দিবস যা ফেব্রুয়ারি ২১ তারিখে পালন করা হয়। এ দিবসে পূর্বের ঐতিহ্যিক সাংস্কৃতিক ও সাহিত্য পরিবেশের সমর্থন ও মাতৃভাষার গুরুত্ব জানানো হয়।


৩। যুক্তফ্রন্ট বলতে কী বোঝায়?


উত্তর: যুক্তফ্রন্ট বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ১৯৭০ সালে পাকিস্তানে সামরিক শাসন চালু থাকার সময় বাংলাদেশে পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের একতা গড়ে উঠল এবং এই একতা স্বাধীনতার জন্য জনগণের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

যুক্তফ্রন্ট একটি গঠন যা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একটি একক রাজনৈতিক দল গঠনের মাধ্যমে একটি স্বাধীন দেশ বাংলাদেশের কথা বলার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়। এই গঠনের মূল উদ্দেশ্য হল পাকিস্তান সরকারের কাছে বাংলাদেশের অধিকার এবং ন্যায্যতা দাবি করা। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের একতা এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা দাবিতে এই যুক্তফ্রন্ট পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে একটি মজুদ সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন চালায়।


৪। মৌলিক গণতন্ত্র বলতে কী বোঝায়?


উত্তর: মৌলিক গণতন্ত্র হল একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত যা দেশের নাগরিকদের সম্পূর্ণ সামাজিক, আর্থিক, রাজনৈতিক এবং সংস্কৃতিগত স্বাধীনতা ও স্বশাসনের জন্য স্বাধীন এবং উন্নয়নশীল একটি স্থানান্তরী সরকার গঠন করে। এটি গণতন্ত্র হিসাবে পরিচিত এবং এর উদ্দেশ্য একটি শাসনতন্ত্র যা নির্ভরশীল এবং সুশাসিত সরকার গঠন করে।


৫। ছয় দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয় কেন? 


উত্তর: ছয় দফা হল ছয়টি দাবি বা প্রশ্নপত্র যা পূর্ব পাকিস্তানের বাংলাদেশ বিষয়ক জনগণের দুর্বল অবস্থা ও ন্যায্যতা বিশ্বাসে প্রকাশ করে। এগুলি একই সাথে উত্তর, মধ্য, দক্ষিণ এশিয়া উন্নয়ন আয়োগের জন্য রাষ্ট্রসভা মনোনয়ন করেছিল। ছয় দফা পাকিস্তান সরকারের নিয়ন্ত্রণহীন স্থিতি পরিণত করে নিজেকে বাংলাদেশের স্বশাসনের কল্পনা করতে সহায়তা করে। এই দফাগুলি স্বাধীন বাংলাদেশের জন্মে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ছয় দফার জন্য বাঙ্গালি জাতির মুক্তির সনদ বলা হয়।


৬। ঐতিহাসিক আগরতলা মামলার বিষয়বস্তু ব্যাখ্যা করো। 


উত্তর: ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা হল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট রাতে বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তথা দেশের পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ তাঁর পরিবারের বেশ কিছু সদস্য হত্যা করা হয়। এই হত্যার পর দেশে অভিযোগ ও বিভিন্ন নেতৃত্বের বিরুদ্ধে গোলাগুলি প্রচারিত হয়। আগরতলা মামলার সার্বিক লক্ষ্য হল হত্যার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের দেশ থেকে আমন্ত্রণ করে আদালতে বিচার করা। তবে এ মামলার বিচার বাংলাদেশে চালু না হওয়ার কারণে এই মামলার জন্য কোন দোষী বা দায়ী ব্যক্তির শাস্তি দেওয়া সম্ভব হয়নি।


৭। ৭ই মার্চের ভাষণের গুরুত্ব বর্ণনা করো।


উত্তর: ৭ই মার্চের ভাষণ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দ্বারা রাষ্ট্রীয় সমস্যাগুলির সমাধান এবং দেশের উন্নয়ন সম্পর্কে করা হয়। এ ভাষণে বঙ্গবন্ধু বলেন, "আমরা দুই কোটি মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে আসছি। আমাদের পাঁচ দরকারী মাংসপেশী আছে। তাহলে আমরা কি আর বেকগুলি পরে থাকব?" এছাড়াও বঙ্গবন্ধু বলেন, স্বাধীন দেশে জনগণের হিত এবং সুখবর্তী জীবন নিশ্চিত করা উচিত। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশের পৌরসভা নির্বাচনে নাগরিকদের ভোটের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে বলেন। এই ভাষণে বঙ্গবন্ধুর মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আনন্দিত হয় এবং তিনি দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে একটি সাক্ষাৎকার দিয়ে দেশের মানুষের প্রতি তাঁর সমর্থন জানান।


৮। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান ব্যাখ্যা করো।


উত্তর: ১৯৬৯ সালে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাকিস্তানী শাসকতা নিষ্পত্তি ও স্বাধীনতা আন্দোলন হয়। এ আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল পূর্ব পাকিস্তানের একই ভাষাবিধান প্রযুক্তি দ্বারা পূর্ব পাকিস্তানের পশ্চিম বাংলাদেশের প্রতি সুবিধা ও বিকাশ কর্মকাণ্ডে সংশোধন ও উন্নয়নের অভাব। এ অভিযানে বাংলাদেশের জনগণ নানাবিধ নামের হয়তো পরিচিত উপায়ে উদ্বিগ্ন হয়। বিশেষত পশ্চিম বাংলাদেশে এই আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা ছিল অসম্ভব গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য স্বপ্ন দেখে বঙ্গবন্ধু একাধিক পদক্ষেপ নেন। এর মধ্যে বাংলাদেশের জনসচেতনা জাগরণের একটি মহাপর্ব হিসেবে এ আন্দোলন আন্দোলনের সুযোগ ও প্রতিবাদ শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে।


৯। অসহযোগ আন্দোলন ব্যাখ্যা করো। 


উত্তর: অসহযোগ আন্দোলন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে জাতীয় সংসদে শপথ নেওয়ার সময় তখন পশ্চিম পাকিস্তানের সরকার এখনও স্বাধীন বাংলাদেশের কর্তব্য পালন করে না। বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে এই সমস্যা জাগরুকতা উত্পন্ন করে। তখন বাংলাদেশের নেতারা একসাথে আওয়ামী লীগ আন্দোলন শুরু করেন। এই আন্দোলনে সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে জনগণ একটি সুপ্রসিদ্ধ স্লোগান চালায় - "আমাদের কাছে সমস্যা, তোমাদের কাছে সমাধান"। এই আন্দোলনে অসহযোগ করা অর্থ হলো সরকারের কাছে সমস্যা নিজেদের হস্তক্ষেপ দিয়ে তাদের সমাধানের দিকে প্রেরণ করা। এটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ পদক্ষেপ।


১০। মুজিবনগর সরকার কী? ব্যাখ্যা করো।


উত্তর: মুজিবনগর সরকার হলো বাংলাদেশের প্রথম জনপ্রতিনিধি সরকার যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা প্রকল্পের নেতৃত্ব করে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর নেতৃত্বে এ মুজিবনগর সরকার প্রথমেই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা প্রকল্পের নেতৃত্ব করে সেটি সম্পাদন করে। তারপর বাংলাদেশের রাজনীতি, অর্থনীতি ও সামাজিক ক্ষেত্রে সুদৃঢ় ও সমৃদ্ধ হতে সরকার বিভিন্ন কাজ করে। মুজিবনগর সরকার আমদানি এবং রপ্তানি সীমা উন্নয়ন করে দেশের অর্থনীতি পরিষ্কার করে। সে দেশের কৃষি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যকর্মী বিভাগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সেবা প্রদান করে। তিনি একটি সমদর্শী নীতিমালা চালিয়ে দেশের উন্নয়নে সমগ্র জনগণের সমর্থন গাইয়েছিলেন।


৩য় অধ্যায়: রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বঃ বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভ


১। ফরায়েজি আন্দোলন বলতে কী বোঝায়?


২। বেঙ্গল প্যাক্ট বলতে কী বোঝায়?


৩। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে গণতন্ত্রের মানসপুত্র বলা হয় কেন?


৪। মজলুম জননেতা বলা হয় কাকে এবং কেন?


৫। তিতুমীর কেন বাঁশের কেল্লা স্থাপন করেছিলেন?


৬। কাকে কৃষকদের মুক্তির অগ্রদূত বলা হয়? কেন? 


৭। বঙ্গবন্ধুকে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বলা হয় কেন?


৮। তিতুমীরের বিদ্রোহ ব্যর্থ হয়েছিল কেন?



৪র্থ অধ্যায়: বাংলাদেশের সংবিধান বাংলাদেশের


১। গণপরিষদ বলতে কী বোঝায়?


২। 'সংবিধান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন'-ব্যাখ্যা করো। 


৩। মৌলিক অধিকার বলতে কী বোঝায়?


৪। মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?


৫। রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে গণতন্ত্র/ধর্মনিরপেক্ষতা ব্যাখ্যা করো । 


৬। ১৯৭২ সালের সংবিধানে মূলনীতিগুলো কী ছিল ?


৭। প্রজাতন্ত্র বলতে কী বোঝায়?


৮। দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?


৯। বাংলাদেশে গণপরিষদ আদেশ জারি করা হয়েছিল কেন?



১০ম অধ্যায়: নাগরিক সমস্যা ও আমাদের করণীয়


১। দুর্নীতি বলতে কী বোঝায় ?


২। বিশেষ চাহিদার জনগোষ্ঠী বলতে কী বোঝায়?


৩। খাদ্যে ভেজাল বলতে কী বোঝ ? 


৪। রাজনৈতিক অস্থিরতা কীভাবে দুর্নীতির বিকাশ ঘটায় ?


৫। ইভটিজিং বলতে কী বোঝায়? এটা প্রতিরোধ করা প্রয়োজন কেন?


৬। প্রতিবন্ধীদের প্রতি আমাদের আচরণ কীরূপ হওয়া উচিত?


৭। বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বলতে কী বোঝায়?


৮। জলবায়ু পরিবর্তন বলতে কী বোঝ? এর কারণ কী?


৯। গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়া কীভাবে জলবায়ুর পরিবর্তন করে ? 


১০। এইডস কী? ব্যাখ্যা করো

Post a Comment

Previous Post Next Post